ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের আগেই সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে কান্নাকাটি করছেন বিরোধী দলের ৯০ এমপি: রাশেদ খাঁন চরবগলা জাহাজমারায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন মোকামতলা উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা বাগমারা উপজেলা এক নম্বর গোবিন্দ পাড়া ইউনিয়নের দেওপাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের হরিবাসর নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক মন্ত্রণালয়ের পেজে প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারের প্রচারণা: এনসিপি নেতাদের কটাক্ষ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও উদ্বেগের পাল্লাই ভারী হলি ক্রসে একাদশে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি: বিবাহিতদের আবেদন নিষেধ, বিয়ে করলে টিসি

বড়দের আচরণে ক্ষতি হয় শিশুর

শিশুরা সবসময় নিজের চারপাশ থেকে শেখে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের আচরণই তাদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তারা বড়দের দেখেই অনেক কিছু রপ্ত করে ফেলে। তাই বাড়িতে ছোট সদস্য থাকলে বড়দের একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার। ছোটদের সামনে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা তাদের মনে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

এখানে এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো, যেগুলো অভিভাবকদের এড়িয়ে চলা উচিত—বিশেষ করে যখন শিশুরা আশপাশে থাকে।

অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা করা নয়

প্রতিটি শিশু আলাদা — তাদের ভাবনা, শেখার পদ্ধতি, আর গতি একেকরকম। তাই নিজের সন্তানের সঙ্গে অন্য কারও তুলনা করা একেবারেই উচিত নয়। এতে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং মনে চাপ তৈরি হয়। শিশুকে তার নিজের মতো বেড়ে উঠতে দিন, প্রশংসা করুন তার নিজস্বতা।

আবেগ দমন করতে শেখানো ঠিক নয়

অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা কষ্ট বা রাগ পেলে সেটা প্রকাশ করতে চায়, কিন্তু বড়রা সেটা আটকান। ‘এগুলো বলো না’ বা ‘এত আবেগ দেখিও না’—এমন কথা শিশুর মনে বাধা তৈরি করে। ফলে তারা ধীরে ধীরে মনের কথা বলার সাহস হারিয়ে ফেলে। বরং, সন্তানের আবেগকে বোঝার চেষ্টা করুন, তাকে ভালোভাবে শুনুন।

সব সময় ব্যস্ত রাখা শিশুর জন্য ক্ষতিকর

আজকাল শিশুরা পড়াশোনা ছাড়াও নানা কাজে ব্যস্ত থাকে—কোচিং, হোমওয়ার্ক, ক্লাস, প্রজেক্ট ইত্যাদি। কিন্তু খেলাধুলা, বিশ্রাম, বা একান্ত নিজের সময়ও তাদের দরকার। যদি সারাদিন তাকে দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত রাখা হয়, তাহলে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাই একটা ভারসাম্যপূর্ণ রুটিন বানানো জরুরি।

শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় তাদের চারপাশের পরিবেশ অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বড়রা যেমন আচরণ করবেন, শিশুরাও তা দেখেই শিখবে। তাই নিজের আচরণে সচেতন হওয়া এবং ছোটদের বুঝে, ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তোলাই একজন অভিভাবকের আসল দায়িত্ব।

সূত্র : এই সময় অনলাইন

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের আগেই সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

বড়দের আচরণে ক্ষতি হয় শিশুর

আপডেট সময় : ১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

শিশুরা সবসময় নিজের চারপাশ থেকে শেখে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের আচরণই তাদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তারা বড়দের দেখেই অনেক কিছু রপ্ত করে ফেলে। তাই বাড়িতে ছোট সদস্য থাকলে বড়দের একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার। ছোটদের সামনে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা তাদের মনে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

এখানে এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো, যেগুলো অভিভাবকদের এড়িয়ে চলা উচিত—বিশেষ করে যখন শিশুরা আশপাশে থাকে।

অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা করা নয়

প্রতিটি শিশু আলাদা — তাদের ভাবনা, শেখার পদ্ধতি, আর গতি একেকরকম। তাই নিজের সন্তানের সঙ্গে অন্য কারও তুলনা করা একেবারেই উচিত নয়। এতে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং মনে চাপ তৈরি হয়। শিশুকে তার নিজের মতো বেড়ে উঠতে দিন, প্রশংসা করুন তার নিজস্বতা।

আবেগ দমন করতে শেখানো ঠিক নয়

অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা কষ্ট বা রাগ পেলে সেটা প্রকাশ করতে চায়, কিন্তু বড়রা সেটা আটকান। ‘এগুলো বলো না’ বা ‘এত আবেগ দেখিও না’—এমন কথা শিশুর মনে বাধা তৈরি করে। ফলে তারা ধীরে ধীরে মনের কথা বলার সাহস হারিয়ে ফেলে। বরং, সন্তানের আবেগকে বোঝার চেষ্টা করুন, তাকে ভালোভাবে শুনুন।

সব সময় ব্যস্ত রাখা শিশুর জন্য ক্ষতিকর

আজকাল শিশুরা পড়াশোনা ছাড়াও নানা কাজে ব্যস্ত থাকে—কোচিং, হোমওয়ার্ক, ক্লাস, প্রজেক্ট ইত্যাদি। কিন্তু খেলাধুলা, বিশ্রাম, বা একান্ত নিজের সময়ও তাদের দরকার। যদি সারাদিন তাকে দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত রাখা হয়, তাহলে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাই একটা ভারসাম্যপূর্ণ রুটিন বানানো জরুরি।

শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় তাদের চারপাশের পরিবেশ অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বড়রা যেমন আচরণ করবেন, শিশুরাও তা দেখেই শিখবে। তাই নিজের আচরণে সচেতন হওয়া এবং ছোটদের বুঝে, ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তোলাই একজন অভিভাবকের আসল দায়িত্ব।

সূত্র : এই সময় অনলাইন