ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন বগুড়া টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে মোহন-সুজন, ভোটে নির্ধারিত নতুন কমিটি বগুড়া শাজাহানপুরে নারিল্যা খাজাবাবা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন একজন আলোকিত মানুষ মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প বন্ধের দাবিতে চাটমোহরে মানববন্ধন বাগমারায় ইউপি সদস্যকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ায় সিটি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগ, হাতেনাতে আটক ১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে সম্পর্কে ইনভেস্ট করতে হয়: বর্ষা

একজন আলোকিত মানুষ মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার




জন্ম ও বংশ পরিচয়:

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়নের মহানন্দপুর গ্রামের বিখ্যাত সিকদার বংশে জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম: ইয়ার মামুদ সিকদার, মাতা: কবুলজান।

সমাজসেবা ও শিক্ষা বিস্তার:
জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার একাধারে মেধাবী, উচ্চ শিক্ষিত, ন্যায়পরায়ণ এবং স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব। সখিপুরের উত্তরাঞ্চলের প্রাকৃতিক শোভায় সুসজ্জিত এবং সবুজ গাছপালায় পরিবেষ্টিত দুর্গম, অবহেলিত এবং শিক্ষার আলো বঞ্চিত এলাকা মহানন্দপুর। এ মহানন্দপুরেই ছিলো সমগ্র টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের সদর দপ্তর। এখানেই ১৯৯২ সালে বিজয় স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক হিসেবে অবৈতনিকভাবে শিক্ষকতা করেন তিনি। ২০০৪ সালে তিনি মহানন্দপুর আল্ আমীন বিদ্যানিকেতন স্থাপন করে গরিব, অসহায় ও অবহেলিত ঝরেপড়া ছেলে-মেয়েদেরকে শিক্ষিত করে তোলার মহান ব্রত পালন করেন। তাঁর এলাকার অশিক্ষিত ও নিরক্ষর লোকদেরকে শিক্ষিত করে তুলতে কখনো নামে মাত্র টাকার বিনিময়ে, কখনো বিনা টাকায় পাঠদান করেন। জনশ্রুতি আছে যে, তাঁর প্রতিষ্ঠিত আল্ আমীন বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকদেরকে বাড়ির কৃষিজ পণ্য বিক্রি করেও বেতন দিয়েছেন। ওই প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বৃত্তি পেয়ে গোটা অঞ্চলের গৌরব অর্জন করেন।

ধর্মীয় মনোভাব:
মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার শুধু একজন শিক্ষাবিদই ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন ধার্মিক ও পরোপকারী ব্যক্তি। তাঁর নিবেদিত প্রাণ ও ধর্মীয় মনোভাবের জন্য বহরমপুরচালা বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ কমিটি তাঁকে ২০০৩ সাল থেকে অদ্যাবধি (২০২৬ সাল) পর্যন্ত সভাপতি পদে বহাল রাখেন। মহানন্দপুর নুরানি ও হাফেজিয়া মাদরাসার তিনি উপদেষ্টা সদস্য এবং মহানন্দপুর বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া তিনি পবিত্র নগরী মক্কা মদিনায় সফরসহ ওমরাহ ব্রত পালন করেন। তিনি একজন নামাজি, সৎ ও পরহেযগার ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

রাজনৈতিক জীবন:
মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদারের বৈচিত্র্যময় জীবন শুধু শিক্ষা, সমাজ সেবা ও ধার্মিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একজন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও বটে। বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর রাজনীতির সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁর নির্লোভ, স্বার্থত্যাগী ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের কারণে বিগত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার অবৈধ শাসনের প্রতিবাদ করে মিথ্যা মামলায় তাঁকে জড়াতে হয়েছে। এরফলে তাঁকে একাধিকবার কারাবরণও করতে হয়েছে।

ত্যাগ ও সাহসের প্রতীক:
জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার তাঁর ডানপন্থী রাজনীতির ফলে কিছু সংখ্যক লোক তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে তাঁকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বহু ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। গ্রেপ্তার, হয়রানী ও হামলার মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি তাঁর অবস্থানে অটল ও অনড় ছিলেন শতায়ু বটবৃক্ষের মতো। দলের হাই কমান্ড নির্দেশিত যে কোন কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। যে কোন হরতাল, বিক্ষোভ, মিছিল, অবরোধ এবং লংমার্চে তিনি কখনো পিছপা হননি। দলের চরম দুর্দিনেও তিনি ছিলেন অকুতোভয় ও নিবেদিত প্রাণ কর্মী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খানের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র এই আমীর হামজা সিকদার। তিনি মূলত সরকারি দলের নির্লোভ নেতা এবং বিরোধী দলের নির্যাতিত নেতা হিসেবে জনগণের নন্দিত সেবক হয়ে কাজ করতেছেন।

বর্তমানে তিনি ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দলের মনোনয়ন এবং জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী।

লেখক : মোঃ আবুল কাশেম, কবি, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। জেলা প্রতিনিধি, চলনবিলের সময়।
সখিপুর, টাঙ্গাইল।
Kashembatbary@gmail.com
তারিখ ১৮/০৯/২০২৬

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

একজন আলোকিত মানুষ মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার

আপডেট সময় : ১৩ ঘন্টা আগে

জন্ম ও বংশ পরিচয়:

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়নের মহানন্দপুর গ্রামের বিখ্যাত সিকদার বংশে জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম: ইয়ার মামুদ সিকদার, মাতা: কবুলজান।

সমাজসেবা ও শিক্ষা বিস্তার:
জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার একাধারে মেধাবী, উচ্চ শিক্ষিত, ন্যায়পরায়ণ এবং স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব। সখিপুরের উত্তরাঞ্চলের প্রাকৃতিক শোভায় সুসজ্জিত এবং সবুজ গাছপালায় পরিবেষ্টিত দুর্গম, অবহেলিত এবং শিক্ষার আলো বঞ্চিত এলাকা মহানন্দপুর। এ মহানন্দপুরেই ছিলো সমগ্র টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের সদর দপ্তর। এখানেই ১৯৯২ সালে বিজয় স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক হিসেবে অবৈতনিকভাবে শিক্ষকতা করেন তিনি। ২০০৪ সালে তিনি মহানন্দপুর আল্ আমীন বিদ্যানিকেতন স্থাপন করে গরিব, অসহায় ও অবহেলিত ঝরেপড়া ছেলে-মেয়েদেরকে শিক্ষিত করে তোলার মহান ব্রত পালন করেন। তাঁর এলাকার অশিক্ষিত ও নিরক্ষর লোকদেরকে শিক্ষিত করে তুলতে কখনো নামে মাত্র টাকার বিনিময়ে, কখনো বিনা টাকায় পাঠদান করেন। জনশ্রুতি আছে যে, তাঁর প্রতিষ্ঠিত আল্ আমীন বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকদেরকে বাড়ির কৃষিজ পণ্য বিক্রি করেও বেতন দিয়েছেন। ওই প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বৃত্তি পেয়ে গোটা অঞ্চলের গৌরব অর্জন করেন।

ধর্মীয় মনোভাব:
মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার শুধু একজন শিক্ষাবিদই ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন ধার্মিক ও পরোপকারী ব্যক্তি। তাঁর নিবেদিত প্রাণ ও ধর্মীয় মনোভাবের জন্য বহরমপুরচালা বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ কমিটি তাঁকে ২০০৩ সাল থেকে অদ্যাবধি (২০২৬ সাল) পর্যন্ত সভাপতি পদে বহাল রাখেন। মহানন্দপুর নুরানি ও হাফেজিয়া মাদরাসার তিনি উপদেষ্টা সদস্য এবং মহানন্দপুর বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া তিনি পবিত্র নগরী মক্কা মদিনায় সফরসহ ওমরাহ ব্রত পালন করেন। তিনি একজন নামাজি, সৎ ও পরহেযগার ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

রাজনৈতিক জীবন:
মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদারের বৈচিত্র্যময় জীবন শুধু শিক্ষা, সমাজ সেবা ও ধার্মিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একজন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও বটে। বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর রাজনীতির সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁর নির্লোভ, স্বার্থত্যাগী ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের কারণে বিগত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার অবৈধ শাসনের প্রতিবাদ করে মিথ্যা মামলায় তাঁকে জড়াতে হয়েছে। এরফলে তাঁকে একাধিকবার কারাবরণও করতে হয়েছে।

ত্যাগ ও সাহসের প্রতীক:
জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার তাঁর ডানপন্থী রাজনীতির ফলে কিছু সংখ্যক লোক তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে তাঁকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বহু ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। গ্রেপ্তার, হয়রানী ও হামলার মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি তাঁর অবস্থানে অটল ও অনড় ছিলেন শতায়ু বটবৃক্ষের মতো। দলের হাই কমান্ড নির্দেশিত যে কোন কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। যে কোন হরতাল, বিক্ষোভ, মিছিল, অবরোধ এবং লংমার্চে তিনি কখনো পিছপা হননি। দলের চরম দুর্দিনেও তিনি ছিলেন অকুতোভয় ও নিবেদিত প্রাণ কর্মী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খানের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র এই আমীর হামজা সিকদার। তিনি মূলত সরকারি দলের নির্লোভ নেতা এবং বিরোধী দলের নির্যাতিত নেতা হিসেবে জনগণের নন্দিত সেবক হয়ে কাজ করতেছেন।

বর্তমানে তিনি ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দলের মনোনয়ন এবং জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী।

লেখক : মোঃ আবুল কাশেম, কবি, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। জেলা প্রতিনিধি, চলনবিলের সময়।
সখিপুর, টাঙ্গাইল।
Kashembatbary@gmail.com
তারিখ ১৮/০৯/২০২৬