ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিএনসির অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ ৬ শতাধিক কর্মী নিয়োগ দেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আবেদন যেভাবে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিপুল ব্যবহারকারীর কারণে ঢাকায় অফিস খুলতে চায় মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পলাতক ফ্যাসিস্ট দেশকে অস্থিতিশীল করতে কলকাঠি নাড়ছে: রিজভী রূপকথার ‘প্রাণভোমরা’ এবার আইস্ক্রিনে, তৌসিফের সঙ্গে নতুন মুখ শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ ব্যাটারি চালিত রিকশার রোড পারমিট ও ১০ দফা দাবিতে দুই সিটি কর্পোরেশনে স্মারকলিপি পেশ রশিদকে সরিয়ে প্রথমবার এক নম্বরে পাকিস্তানের আবরার শেষ মুহূর্তে কপাল খুলল রহস্য স্পিনার আলিসের

এক ইলিশের দাম ১১ হাজার টাকা




নোয়াখালীর হাতিয়ায় নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ। মাছটি দেখতে যেমন বড়, নিলামে উঠেছে তেমনি চড়া দামও। শেষ পর্যন্ত ১৭ জন ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণে নিলামে মাছটির সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রায় ১১ হাজার টাকা (১০ হাজার ৯০০ টাকা)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে শাহজাহান বেপারির আড়তে নিলামের মাধ্যমে ইলিশটি বিক্রি হয়। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষু বেপারি মাছটি কিনে নেন।

জানা গেছে, হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের জেলে জাহেদ মাঝির জালে ধরা পড়ে ইলিশটি। রোববার সকালে ১২ জন জেলেকে সঙ্গে নিয়ে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ডের কাছাকাছি নদীতে মাছ ধরতে যান তিনি। সোমবার রাতে নদীতে জাল ফেলেন। মঙ্গলবার জাল তুলতে গিয়ে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় এই ইলিশটিও জালে উঠে আসে।

পরে ইলিশটি চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে নিয়ে শাহজাহান বেপারির আড়তে বিক্রির জন্য তোলা হয়। মাছটির আকার দেখে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে অংশ নেন অন্তত ১৭ জন ব্যবসায়ী। একপর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৯০০ টাকা দর হাঁকেন বিষু বেপারি।

মাছটির ক্রেতা বিষু বেপারি বলেন, ‘আমি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় ইলিশটি কিনেছি। মাছটি ঢাকার মোকামে পাঠাব। সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারব। রাজধানীতে বড় আকারের ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।’

জেলে জাহেদ মাঝি বলেন, ‘জালে বড় ইলিশটি পাওয়ার পর আমরা খুব খুশি হয়েছি। মাছটি ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির আরও মাছ ধরেছি। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।’

আড়তদার শাহজাহান বেপারি বলেন, ‘জাহেদ মাঝি সাগর থেকে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে আমার আড়তে আসেন। এরমধ্যে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটির নিলামে দাম ওঠে ১০ হাজার ৯০০ টাকা। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা বিষু বেপারির কাছে মাছটি বিক্রি করা হয়।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী আকবর হোসেন বলেন, ‘এবার ইলিশ তুলনামূলক কম পাওয়ায় জেলেরা হতাশ। তবে মাঝেমধ্যে বড় আকারের কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় ইলিশ দেখে ভালো লাগছে। যদিও দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে পারছেন না।’

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. ফয়জুর রহমান বলেন, ‘এবার তুলনামূলকভাবে কম মাছ ধরা পড়ছে। এরমধ্যে দু-একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। আশা করছি, ভরা পূর্ণিমায় আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে।’

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

ডিএনসির অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

এক ইলিশের দাম ১১ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ৭ ঘন্টা আগে

নোয়াখালীর হাতিয়ায় নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ। মাছটি দেখতে যেমন বড়, নিলামে উঠেছে তেমনি চড়া দামও। শেষ পর্যন্ত ১৭ জন ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণে নিলামে মাছটির সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রায় ১১ হাজার টাকা (১০ হাজার ৯০০ টাকা)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে শাহজাহান বেপারির আড়তে নিলামের মাধ্যমে ইলিশটি বিক্রি হয়। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষু বেপারি মাছটি কিনে নেন।

জানা গেছে, হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের জেলে জাহেদ মাঝির জালে ধরা পড়ে ইলিশটি। রোববার সকালে ১২ জন জেলেকে সঙ্গে নিয়ে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ডের কাছাকাছি নদীতে মাছ ধরতে যান তিনি। সোমবার রাতে নদীতে জাল ফেলেন। মঙ্গলবার জাল তুলতে গিয়ে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় এই ইলিশটিও জালে উঠে আসে।

পরে ইলিশটি চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে নিয়ে শাহজাহান বেপারির আড়তে বিক্রির জন্য তোলা হয়। মাছটির আকার দেখে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে অংশ নেন অন্তত ১৭ জন ব্যবসায়ী। একপর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৯০০ টাকা দর হাঁকেন বিষু বেপারি।

মাছটির ক্রেতা বিষু বেপারি বলেন, ‘আমি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় ইলিশটি কিনেছি। মাছটি ঢাকার মোকামে পাঠাব। সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারব। রাজধানীতে বড় আকারের ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।’

জেলে জাহেদ মাঝি বলেন, ‘জালে বড় ইলিশটি পাওয়ার পর আমরা খুব খুশি হয়েছি। মাছটি ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির আরও মাছ ধরেছি। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।’

আড়তদার শাহজাহান বেপারি বলেন, ‘জাহেদ মাঝি সাগর থেকে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে আমার আড়তে আসেন। এরমধ্যে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটির নিলামে দাম ওঠে ১০ হাজার ৯০০ টাকা। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা বিষু বেপারির কাছে মাছটি বিক্রি করা হয়।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী আকবর হোসেন বলেন, ‘এবার ইলিশ তুলনামূলক কম পাওয়ায় জেলেরা হতাশ। তবে মাঝেমধ্যে বড় আকারের কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় ইলিশ দেখে ভালো লাগছে। যদিও দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে পারছেন না।’

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. ফয়জুর রহমান বলেন, ‘এবার তুলনামূলকভাবে কম মাছ ধরা পড়ছে। এরমধ্যে দু-একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। আশা করছি, ভরা পূর্ণিমায় আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে।’