১৯ অক্টোবর ২০২৬, উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বগুড়ায় উদ্যাপিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজা উদ্যাপন নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। গত ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রোববার, বগুড়ার মোকামতলা অঞ্চলের একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ (পিপিএম)। পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলো হলো, চকরামচন্দ্রপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির। শংকরপুর (রাধাকৃষ্ণপুর) শ্রী শ্রী কালী ও দুর্গামাতা মন্দির। শংকরপুর (রাধাকৃষ্ণপুর) সার্বজনীন দুর্গামন্দির। দেউলী ইউনিয়নের লক্ষীকোলা সাহাপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গা ও রাধা গোবিন্দ বিগ্রহ মন্দির। মোকামতলা কেন্দ্রীয় সর্বজনীন দুর্গা ও কালীমাতার মন্দির। পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখেন এবং ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, আবহমান বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা পুলিশ সর্বাত্মক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ সময় তিনি মণ্ডপ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই দিন মোকামতলা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা পূজার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। এ সময় দেউলী ইউনিয়নের লক্ষীকোলা সাহাপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গা ও রাধা গোবিন্দ বিগ্রহ মন্দিরে বিএনপি নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার, শিবগঞ্জ সার্কেলের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, শিবগঞ্জ ও মোকামতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান, মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আলমাছ আলী, ট্রাফিক পুলিশের টিআই এ কে এম আনাম, এসআই আনছার আলী, এএসআই রায়হান ও এএসআই আবু বক্কর সিদ্দিক।
মোকামতলা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক ও প্রতিমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. মাহমুদ হোসেন তৌফিক, সদস্যসচিব রোকন-উদ-দৌলা রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম মামুন, রুহুল আমিন ফটু, আলহাজ আব্দুল লতিফ সরকার, কামরুজ্জামান তারা ও মোত্তাসিন বিল্লাহ এবং সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।
মোকামতলা উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল রাজ্জাক, সদস্যসচিব উজ্জ্বল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রাব্বানী সরকার, সোহেল আহম্মেদ, সদস্য নাজমুল হুদা শাকিল ও সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহিন আলম। স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সদস্যসচিব বিপ্লব প্রামাণিক, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ ও উজ্জ্বল হোসেন এবং চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সহিদুল ইসলাম।
মোকামতলা উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক মোরশেদুল ইসলাম মিজু, যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ তুহিন হাসান, রোমান খলিফা, মাসুদ মিয়া, সাদিক প্রামাণিক, শাহরিয়ার হাসান জিহাদ, মেহেদী হাসান জয়, আব্দুল মজিদ, মাসুদ রানা, রাহাত হাসান, রবিউল ইসলাম, মোস্তাকিম, সাগর মিয়া, তামিম ইকবাল, শাবলু মিয়া মণ্ডল ও শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

রাসেল আহম্মেদ (স্টাফ রিপোর্টার) বগুড়া 






















