টাঙ্গাইলের সখিপুরে গভীর রাতে এক দম্পতিকে ঘরের ভেতর আটকে রেখে বসত ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী লাল মিয়ার পরিবার। এ সমশ প্রেসক্লাবে উপস্থিত ছিলেন তারা তিন ভাই সহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী।
গতশুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সখিপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গড় গোবিন্দপুর গ্রামের উখারিয়াচালা এ ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার সময় ঘরটির দরজা বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকানো ছিল। ভুক্তভোগী লাল মিয়া (৪৫) ও তার স্ত্রী বেগম (৩৫) সে সময় ঘরের ভেতরেই ছিলেন।
স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান বলে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে লাল মিয়া ওরফে নালু জানান।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে লাল মিয়ার বড় ভাই শফিকুল ইসলাম বাঘা বলেন, অনেক দিন আগে আমাদের দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সেকান্দর নিজেই তার রান্না ঘরে আগুন দিয়েছিল। এজন্য সেকান্দর কে মারপিট করা হয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ সময় সখিপুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীরা জমি ও মামলার কাগজ পত্র নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনার ঘরের সব কিছু পুড়ে গেছে, তাহলে কাগজ পত্র রইলো কেমনে? উত্তরে লাল মিয়া বলেন, কাগজপত্র আদালতে ছিলো।
স্থানীয়দের ধারণা, কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তি বা শত্রুতার জেরে কেউ তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারার উদ্দেশ্যে বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এতে ভুক্তভোগীর সন্দেহের তীর প্রতিপক্ষের দিকে থাকলেও উভয় পক্ষের নিকট থেকে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। দৈনিক সংগ্রামের সাংবাদিক এবং চলনবিলের সময় পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি আবুল কাশেম এর সহযোগিতায় এ সম্মেলন হয়।

আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি 




















