ঢাকা , সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সখিপুরে নিখোঁজের চার দিন পর নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অস্ট্রেলিয়ার অভিনন্দন নিজের আকিকা নিজে দেওয়া যাবে কি? সৌদি আরবে পুরস্কারজয়ী চার হাফেজকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পদে নিয়োগ পেলেন সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গার্ড অব অনারের মাধ্যমে আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে প্রথমবার নয়াপল্টনে রিজভী তমার ব্যাংকে চাকরি নিয়ে সমালোচনা, নায়িকার পাশে দাঁড়ালেন ভাবনা গজারিয়ায় রুরাল পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমের উদ্বোধন ওসমান গনি

সৌদি আরবে পুরস্কারজয়ী চার হাফেজকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা

সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশের চার হাফেজ দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পুরস্কারজয়ী হাফেজদের অভ্যর্থনা জানাতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিমানবন্দরে পাঠান। অসুস্থতার কারণে নিজে উপস্থিত হতে না পারলেও বিজয়ী হাফেজদের স্বাগত জানানোর প্রবল ইচ্ছা ছিল বলে জানান তিনি।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া চারজনই পুরস্কৃত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন প্রথম এবং তিনজন তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। এ অর্জন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সম্মান ও গর্বের। বাংলাদেশ কোরআনের হাফেজদের উর্বর ভূমি—এই সাফল্য তারই স্মারক।

ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশে হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলামের নেতৃত্বে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী, ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্মসচিব) মো. মাহবুব আলম উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মমন্ত্রী জানান, খুব শিগগিরই পুরস্কারজয়ী হাফেজদের তার দপ্তরে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

পাঁচটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এই কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাছাই করা চারজন হাফেজ অংশ নেন। তাদের প্রত্যেকেই পুরস্কার অর্জন করেন।

প্রতিযোগিতার চতুর্থ গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে প্রথম হন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জাকারিয়া। তিনি পুরস্কার হিসেবে পান এক লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল। একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হন রাবেতা বিনতে রমজান। তিনি পান এক লাখ ৩০ হাজার সৌদি রিয়াল।

তৃতীয় গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে তৃতীয় হন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান এবং নারীদের মধ্যে তৃতীয় হন মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। তারাও প্রত্যেকে এক লাখ ৩০ হাজার সৌদি রিয়াল করে পুরস্কার পেয়েছেন।

মুহাম্মদ জাকারিয়া নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের আর-রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী। শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী রাজধানীর ডেমরার মারকাযুল মাদীনা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় পড়াশোনা করেন।

অন্যদিকে রাবেতা বিনতে রমজান রাজধানীর উত্তরার তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসার শিক্ষার্থী। মুসফিরা বিনতে মাহমুদ পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত সাওদা বিনতে যামআহ আন্তর্জাতিক বালিকা হিফজ মাদরাসার শিক্ষার্থী।

গত বুধবার (১৯ আগস্ট) পবিত্র মসজিদুল হারামে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। প্রতিযোগিতার পাঁচটি গ্রুপে মোট ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

সখিপুরে নিখোঁজের চার দিন পর নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

সৌদি আরবে পুরস্কারজয়ী চার হাফেজকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা

আপডেট সময় : ৫ ঘন্টা আগে

সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশের চার হাফেজ দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পুরস্কারজয়ী হাফেজদের অভ্যর্থনা জানাতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিমানবন্দরে পাঠান। অসুস্থতার কারণে নিজে উপস্থিত হতে না পারলেও বিজয়ী হাফেজদের স্বাগত জানানোর প্রবল ইচ্ছা ছিল বলে জানান তিনি।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া চারজনই পুরস্কৃত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন প্রথম এবং তিনজন তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। এ অর্জন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সম্মান ও গর্বের। বাংলাদেশ কোরআনের হাফেজদের উর্বর ভূমি—এই সাফল্য তারই স্মারক।

ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশে হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলামের নেতৃত্বে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী, ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্মসচিব) মো. মাহবুব আলম উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মমন্ত্রী জানান, খুব শিগগিরই পুরস্কারজয়ী হাফেজদের তার দপ্তরে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

পাঁচটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এই কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাছাই করা চারজন হাফেজ অংশ নেন। তাদের প্রত্যেকেই পুরস্কার অর্জন করেন।

প্রতিযোগিতার চতুর্থ গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে প্রথম হন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জাকারিয়া। তিনি পুরস্কার হিসেবে পান এক লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল। একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হন রাবেতা বিনতে রমজান। তিনি পান এক লাখ ৩০ হাজার সৌদি রিয়াল।

তৃতীয় গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে তৃতীয় হন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান এবং নারীদের মধ্যে তৃতীয় হন মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। তারাও প্রত্যেকে এক লাখ ৩০ হাজার সৌদি রিয়াল করে পুরস্কার পেয়েছেন।

মুহাম্মদ জাকারিয়া নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের আর-রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী। শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী রাজধানীর ডেমরার মারকাযুল মাদীনা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় পড়াশোনা করেন।

অন্যদিকে রাবেতা বিনতে রমজান রাজধানীর উত্তরার তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসার শিক্ষার্থী। মুসফিরা বিনতে মাহমুদ পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত সাওদা বিনতে যামআহ আন্তর্জাতিক বালিকা হিফজ মাদরাসার শিক্ষার্থী।

গত বুধবার (১৯ আগস্ট) পবিত্র মসজিদুল হারামে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। প্রতিযোগিতার পাঁচটি গ্রুপে মোট ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।