ঢাকা , শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলনবিল: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জনজীবনের অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় সালমান শাহ ভক্তদের আবেগের সিনেমা ‘লাভ ৯৬’, মুক্তি ৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে বাড়ল রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম সময়ের সঙ্গে আরও গভীর— বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে রবির পথচলা বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর হাতাহাতির ঘটনায় আর্জেন্টিনার ৩ ফুটবলার ‘নিষিদ্ধ’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সওয়াল মির্জা ফখরুলের ভূমিকা রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পটুয়াখালীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডাকসু’র ভিপি সাদিক কায়েম

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনা

মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনো হিসাব স্থগিতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুধু ওই হিসাবের তথ্য নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অন্য হিসাবগুলোর তথ্য ও স্থিতিও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) জানাতে হবে। দেশের সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে এ নির্দেশনা দিয়েছে বিএফআইইউ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) জারি করা বিএফআইইউর সার্কুলার লেটার নং-৫-এ এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিএফআইইউর পরিচালক এ কে এম গোলাম মাহমুদ স্বাক্ষরিত সার্কুলারে সংশ্লিষ্ট সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা চিঠিটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতাভুক্ত সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর আলোকে প্রণীত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬(৪) বিধি অনুযায়ী কোনো হিসাব স্থগিতের আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ওই হিসাবের স্থিতির পাশাপাশি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্যও অবিলম্বে বিএফআইইউকে জানাতে হবে।

এর অর্থ হলো- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাব স্থগিত করা হলে একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা অন্য হিসাবগুলোর তথ্যও খুঁজে বের করে বিএফআইইউকে জানাতে হবে। পাশাপাশি এসব হিসাবের বর্তমান স্থিতিও জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে।

বিএফআইইউর এ নির্দেশনার ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাব স্থগিত হওয়ার পর একই ব্যাংক কিংবা অন্য রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থায় থাকা সংশ্লিষ্ট হিসাব শনাক্ত করা সহজ হবে। এতে এসব হিসাবের লেনদেন ও অর্থের গতিপথ পর্যবেক্ষণের সুযোগও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের অর্থ অনেক সময় একাধিক হিসাবে স্থানান্তর করে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। একটি হিসাব স্থগিতের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করা গেলে অর্থের গতিপথ অনুসরণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা সহজ হবে। ফলে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর হতে পারে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩(১)(ঘ) ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৫(১)(ঘ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

চলনবিল: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জনজীবনের অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় : ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনো হিসাব স্থগিতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুধু ওই হিসাবের তথ্য নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অন্য হিসাবগুলোর তথ্য ও স্থিতিও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) জানাতে হবে। দেশের সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে এ নির্দেশনা দিয়েছে বিএফআইইউ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) জারি করা বিএফআইইউর সার্কুলার লেটার নং-৫-এ এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিএফআইইউর পরিচালক এ কে এম গোলাম মাহমুদ স্বাক্ষরিত সার্কুলারে সংশ্লিষ্ট সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা চিঠিটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতাভুক্ত সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর আলোকে প্রণীত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬(৪) বিধি অনুযায়ী কোনো হিসাব স্থগিতের আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ওই হিসাবের স্থিতির পাশাপাশি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্যও অবিলম্বে বিএফআইইউকে জানাতে হবে।

এর অর্থ হলো- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাব স্থগিত করা হলে একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা অন্য হিসাবগুলোর তথ্যও খুঁজে বের করে বিএফআইইউকে জানাতে হবে। পাশাপাশি এসব হিসাবের বর্তমান স্থিতিও জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে।

বিএফআইইউর এ নির্দেশনার ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাব স্থগিত হওয়ার পর একই ব্যাংক কিংবা অন্য রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থায় থাকা সংশ্লিষ্ট হিসাব শনাক্ত করা সহজ হবে। এতে এসব হিসাবের লেনদেন ও অর্থের গতিপথ পর্যবেক্ষণের সুযোগও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের অর্থ অনেক সময় একাধিক হিসাবে স্থানান্তর করে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। একটি হিসাব স্থগিতের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করা গেলে অর্থের গতিপথ অনুসরণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা সহজ হবে। ফলে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর হতে পারে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩(১)(ঘ) ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৫(১)(ঘ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।