ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ায় সিটি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগ, হাতেনাতে আটক ১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে সম্পর্কে ইনভেস্ট করতে হয়: বর্ষা আইনের শাসন নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: রিজভী ওয়াদা অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির এসবির এসআই হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী রাঙ্গাবালীতে প্রায় দুই লাখ মানুষের জন্য নেই কোনো সরকারি স্বাস্থ্যসেবা বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা




প্রথম ম্যাচের হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ছিল ফর্টিস ময়নামতির। সেই প্রত্যয়ই যেন রূপ নিল ব্যাট-বলের দাপটে। শামিম মিয়ার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২০৬ রানের পাহাড় গড়ার পর সাদ্দাম হোসাইনের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে টিম সাম্পানকে মাত্র ১০২ রানে থামিয়ে দিয়েছে ময়নামতি। ফলে ১০৪ রানের বড় জয় দিয়ে পিএইচপি চট্টগ্রাম রিজিওনাল ক্রিকেট টি-২০ টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিল ফর্টিস।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় সাগরিকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় টিম সাম্পান ও ফর্টিস ময়নামতি। দুদলেরই এটি ছিল গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচ। আগের ম্যাচে জয় পাওয়া সাম্পানের বিপরীতে প্রথম ম্যাচে হেরে মাঠে নেমেছিল ময়নামতি।

টসের পর প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই রানের ঝড় তোলে ফর্টিস। নির্ধারিত ওভার শেষে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তারা।

ময়নামতির ইনিংসে সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন শামিম মিয়া। মাত্র ৩০ বলে ৫৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে একটি চার ও ছয়টি ছক্কা। শামিমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেন ইরফান সাবরি তাকরিন। ৩২ বলে ৫৫ রান করেন তিনি। সাদ্দাম হোসাইনও ব্যাট হাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান ৩৬ বলে করেন ৪৭ রান।

সাম্পানের বোলারদের মধ্যে হুমায়ুন আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে একটি, রকিব উদ্দিন ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে একটি এবং রবিউল হাসান অনিক ৪ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন।

২০৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে টিম সাম্পান। বড় লক্ষ্য সামলাতে না পেরে নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করে তারা। ফলে ১০৪ রানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে ফর্টিস ময়নামতি।

সাম্পানের হয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান ওমর হাসান। ৪৫ বল মোকাবিলা করে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৮ রান করেন তিনি। তবে তার লড়াই দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেনি।

বল হাতে সাম্পানের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দেন সাদ্দাম হোসাইন। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। মো. আশরাফুল হাসানও ছিলেন দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রিত; ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট।

ব্যাট হাতে ৪৭ রান এবং বল হাতে ৩ উইকেট দুই বিভাগেই কার্যকর পারফরম্যান্সের সুবাদে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও সেরা বোলার নির্বাচিত হয়েছেন সাদ্দাম হোসাইন। আর ৫৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা শামিম মিয়া পেয়েছেন সেরা ব্যাটারের পুরস্কার।

এই টুর্নামেন্টে চারটি দল গ্রুপ পর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলছে। মোট সাত ম্যাচের আসরে গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনালে।

প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বড় জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান জোরালো করল ফর্টিস ময়নামতি। বিপরীতে আগের ম্যাচে জয়ের পর এবার বড় ব্যবধানে হেরে সামনের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জে পড়ল টিম সাম্পান।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য

১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা

আপডেট সময় : ১১ ঘন্টা আগে

প্রথম ম্যাচের হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ছিল ফর্টিস ময়নামতির। সেই প্রত্যয়ই যেন রূপ নিল ব্যাট-বলের দাপটে। শামিম মিয়ার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২০৬ রানের পাহাড় গড়ার পর সাদ্দাম হোসাইনের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে টিম সাম্পানকে মাত্র ১০২ রানে থামিয়ে দিয়েছে ময়নামতি। ফলে ১০৪ রানের বড় জয় দিয়ে পিএইচপি চট্টগ্রাম রিজিওনাল ক্রিকেট টি-২০ টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিল ফর্টিস।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় সাগরিকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় টিম সাম্পান ও ফর্টিস ময়নামতি। দুদলেরই এটি ছিল গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচ। আগের ম্যাচে জয় পাওয়া সাম্পানের বিপরীতে প্রথম ম্যাচে হেরে মাঠে নেমেছিল ময়নামতি।

টসের পর প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই রানের ঝড় তোলে ফর্টিস। নির্ধারিত ওভার শেষে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তারা।

ময়নামতির ইনিংসে সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন শামিম মিয়া। মাত্র ৩০ বলে ৫৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে একটি চার ও ছয়টি ছক্কা। শামিমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেন ইরফান সাবরি তাকরিন। ৩২ বলে ৫৫ রান করেন তিনি। সাদ্দাম হোসাইনও ব্যাট হাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান ৩৬ বলে করেন ৪৭ রান।

সাম্পানের বোলারদের মধ্যে হুমায়ুন আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে একটি, রকিব উদ্দিন ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে একটি এবং রবিউল হাসান অনিক ৪ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন।

২০৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে টিম সাম্পান। বড় লক্ষ্য সামলাতে না পেরে নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করে তারা। ফলে ১০৪ রানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে ফর্টিস ময়নামতি।

সাম্পানের হয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান ওমর হাসান। ৪৫ বল মোকাবিলা করে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৮ রান করেন তিনি। তবে তার লড়াই দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেনি।

বল হাতে সাম্পানের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দেন সাদ্দাম হোসাইন। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। মো. আশরাফুল হাসানও ছিলেন দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রিত; ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট।

ব্যাট হাতে ৪৭ রান এবং বল হাতে ৩ উইকেট দুই বিভাগেই কার্যকর পারফরম্যান্সের সুবাদে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও সেরা বোলার নির্বাচিত হয়েছেন সাদ্দাম হোসাইন। আর ৫৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা শামিম মিয়া পেয়েছেন সেরা ব্যাটারের পুরস্কার।

এই টুর্নামেন্টে চারটি দল গ্রুপ পর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলছে। মোট সাত ম্যাচের আসরে গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনালে।

প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বড় জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান জোরালো করল ফর্টিস ময়নামতি। বিপরীতে আগের ম্যাচে জয়ের পর এবার বড় ব্যবধানে হেরে সামনের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জে পড়ল টিম সাম্পান।