ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ায় দখলমুক্ত হচ্ছে জলাশয়, সৌন্দর্যবর্ধনে সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী ইলেকট্রিক ট্রেন চলবে যে রুটে, সুবিধা পাবেন যারা প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খাঁন নাজিয়া হক অর্ষার সঙ্গে সংসার ও ব্যক্তিগত আলাপে পান্থ আফজাল চ্যাট হিস্ট্রিতে মিলল ৭২ কোটি টাকার ভ্যাট-শুল্ক ফাঁকির তথ্য এমপির প্রেমে হাবুডুবু, এবার চূড়ান্ত হলো সেই ক্রিকেটারের বিয়ের দিনক্ষণ র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সুখবর, ভারতীয়দের দাপট আন্তর্জাতিক জলসীমায় পাকিস্তান-ভারতের যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খাঁন




২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের রাশেদ খাঁন জানান, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তিনি ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।

এদিকে রাশেদ খাঁনের অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় দখলমুক্ত হচ্ছে জলাশয়, সৌন্দর্যবর্ধনে সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় : ৯ ঘন্টা আগে

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের রাশেদ খাঁন জানান, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তিনি ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।

এদিকে রাশেদ খাঁনের অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।