মৌলভীবাজারে ভারতীয় অবৈধ পণ্যের চোরাচালান ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন আফজাল হোসেন। ওই সভায় তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত শাহিন আহমদও উপস্থিত ছিলেন। সভার পাঁচ দিনের মাথায় ভারতীয় চোরাচালানের ৪টি গরুসহ তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান। এর আগে সোমবার বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৪টি ষাঁড় বাছুর উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- বড়লেখা উপজেলার ডিমাই এলাকার বিওসি কেছরীগুল গ্রামের আব্দুল আজিজ বচুর ছেলে শাহিন আহমদ (১৯) এবং একই এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে আফজাল হোসেন (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে চারটি গরু এনে বড়লেখায় নেওয়া হচ্ছে। পরে পুলিশের একটি দল হাজীগঞ্জ বাজারের গরুর হাটসংলগ্ন রেললাইনের পূর্ব পাশে ফাঁকা জায়গায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও শাহিন আহমদ ও আফজাল হোসেনকে আটক করা হয়। সেখান থেকে ৪টি ষাঁড় বাছুর উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, এ সময় আরও পাঁচ থেকে ছয়জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি গরুগুলো নামিয়ে একটি পিকআপে করে পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা ৪টি গরুর আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ডিমাই এলাকায় ভারতীয় অবৈধ পণ্যের চোরাচালান ঠেকাতে যুবদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আফজাল হোসেন বক্তব্য দেন। সভায় শাহিন আহমদও উপস্থিত ছিলেন। ওই সভার পাঁচ দিনের মাথায় তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় গরু চোরাচালানের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গরুগুলো চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় ১৪ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয়েছে।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিলেট জেলা প্রতিনিধি 
























