ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন’, সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্দ ওমর সানী নারীর শরীর নিয়ে সমাজের প্রত্যাশা কখনো শেষ হয় না: রাধিকা মদন কোমল পানীয়ের ওপর ‘চিনি কর’ আরোপ জার্মানির নতুন কুঁড়িতে এবার ১৬ লাখ খেলোয়াড়ের নিবন্ধন ব্যালন ডি’অর নিয়ে এমবাপ্পের ‘আমি, আমি’ স্বভাবে ফরাসি কিংবদন্তির ক্ষোভ অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে উত্তপ্ত নারায়ণগঞ্জ, আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩ হিন্দু সম্প্রদায়ের সমস্যা সমাধানে সরকার-বিরোধীদল সম্মিলিতভাবে কাজ করবে: জামায়াত আমির নেপালে ভয়াবহ বন্যা: পুনর্গঠনে ঢাকার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ‘শত শিশুর স্বপ্নের কারিগর’ দুখু মিয়ার সাক্ষাৎ

বগুড়ায় শাসনের জেরে শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত, শিক্ষার্থী বহিষ্কার




বগুড়ায় শাসন করায় স্কুল ছুটির পর শরীরচর্চা শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষকের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষক রায়হান ইসলাম বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রিয়াদ ইসলাম কিরন একই প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষক রায়হান ইসলাম। পথে এপিবিএনের সামনে গাছের ডাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিল শিক্ষার্থী কিরন। শিক্ষক সেখানে পৌঁছালে তাকে থামতে বলে সে। শিক্ষক থামার সঙ্গে সঙ্গে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাছের ডাল দিয়ে তাঁর মুখ ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায় শিক্ষার্থীটি।
বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জানান, শিক্ষার্থীর আঘাতে শিক্ষক রায়হান ইসলামের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ঘাড়েও গুরুতর আঘাত লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
অধ্যক্ষ আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রিয়াদ ইসলাম কিরন বগুড়া সদর উপজেলার রজাকপুর গ্রামের বিপুল মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শাসনের জেরে এভাবে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন’, সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্দ ওমর সানী

বগুড়ায় শাসনের জেরে শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত, শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

বগুড়ায় শাসন করায় স্কুল ছুটির পর শরীরচর্চা শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষকের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষক রায়হান ইসলাম বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রিয়াদ ইসলাম কিরন একই প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষক রায়হান ইসলাম। পথে এপিবিএনের সামনে গাছের ডাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিল শিক্ষার্থী কিরন। শিক্ষক সেখানে পৌঁছালে তাকে থামতে বলে সে। শিক্ষক থামার সঙ্গে সঙ্গে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাছের ডাল দিয়ে তাঁর মুখ ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায় শিক্ষার্থীটি।
বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জানান, শিক্ষার্থীর আঘাতে শিক্ষক রায়হান ইসলামের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ঘাড়েও গুরুতর আঘাত লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
অধ্যক্ষ আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রিয়াদ ইসলাম কিরন বগুড়া সদর উপজেলার রজাকপুর গ্রামের বিপুল মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শাসনের জেরে এভাবে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।