ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন বগুড়া টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে মোহন-সুজন, ভোটে নির্ধারিত নতুন কমিটি বগুড়া শাজাহানপুরে নারিল্যা খাজাবাবা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন একজন আলোকিত মানুষ মোহাম্মদ আমীর হামজা সিকদার জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প বন্ধের দাবিতে চাটমোহরে মানববন্ধন বাগমারায় ইউপি সদস্যকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ায় সিটি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগ, হাতেনাতে আটক ১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে সম্পর্কে ইনভেস্ট করতে হয়: বর্ষা

বগুড়ার শিবগঞ্জে নেশাগ্রস্ত ভাইয়ের মৃত্যুকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ৮ ভাই-বোনের সংবাদ সম্মেলন




বগুড়ার শিবগঞ্জে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত ভিডিও এবং তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে পরিবার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শিবগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৃতের স্বজনরা এ প্রতিবাদ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৃতের ভাই ও তহশিলদার মো. মিজানুর রহমান। এ সময় তাঁর পরিবারের ৮ ভাই-বোনসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেন, তাঁর ছোট ভাই কামরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মকভাবে মাদকাসক্ত ছিলেন। ভবঘুরে জীবনযাপনে অভ্যস্ত কামরুজ্জামান নেশার টাকা জোগাতে নিজের অংশের প্রায় সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। পরবর্তী সময়ে টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন।

তিনি অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে কামরুজ্জামান তাঁর আরেক ভাই বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওবায়দুর রহমানের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ওবায়দুর রহমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির রাজনৈতিক অনুসারী হওয়ায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কামরুজ্জামান প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন লাইভ ভিডিও প্রচার করেন।

মিজানুর রহমান আরও জানান, লাইভ ভিডিও প্রচারের কয়েক দিন পর গত ৭ সেপ্টেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে কামরুজ্জামানকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ১০ সেপ্টেম্বর তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিবারের দাবি, কামরুজ্জামানের স্বাভাবিক অসুস্থতা ও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি মহল সম্মানহানির উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে সতর্ক করা হয়।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

বগুড়ার শিবগঞ্জে নেশাগ্রস্ত ভাইয়ের মৃত্যুকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ৮ ভাই-বোনের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার শিবগঞ্জে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত ভিডিও এবং তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে পরিবার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শিবগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৃতের স্বজনরা এ প্রতিবাদ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৃতের ভাই ও তহশিলদার মো. মিজানুর রহমান। এ সময় তাঁর পরিবারের ৮ ভাই-বোনসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেন, তাঁর ছোট ভাই কামরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মকভাবে মাদকাসক্ত ছিলেন। ভবঘুরে জীবনযাপনে অভ্যস্ত কামরুজ্জামান নেশার টাকা জোগাতে নিজের অংশের প্রায় সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। পরবর্তী সময়ে টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন।

তিনি অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে কামরুজ্জামান তাঁর আরেক ভাই বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওবায়দুর রহমানের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ওবায়দুর রহমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির রাজনৈতিক অনুসারী হওয়ায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কামরুজ্জামান প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন লাইভ ভিডিও প্রচার করেন।

মিজানুর রহমান আরও জানান, লাইভ ভিডিও প্রচারের কয়েক দিন পর গত ৭ সেপ্টেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে কামরুজ্জামানকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ১০ সেপ্টেম্বর তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিবারের দাবি, কামরুজ্জামানের স্বাভাবিক অসুস্থতা ও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি মহল সম্মানহানির উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে সতর্ক করা হয়।