ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিযানে সাজা, কিন্তু থেকে গেল পণ্য—পীরগাছায় ভেজাল কারখানা নিয়ে ক্ষোভ গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে এসেও সপ্তাহের ৬ দিন শরীরচর্চা করছেন সামান্থা বাংলা কিউআরে লেনদেনে বড় পরিবর্তন: নতুন নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক রাবিতে তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের সংলাপ অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মীদের জন্য ম্যাচমেকিং সেবা চালু করল সিঙ্গাপুর সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন জাতিসংঘে যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়েছেন জাইমা রহমান, সরকারের সংশ্লিষ্টতা নেই প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হাট ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় ২৫ জামায়াত নেতাকর্মী কারাগারে মিরপুরে হকার উচ্ছেদ: স্থানীয় এমপি হিসেবে না জানানোয় বিস্ময়ে জামায়াত আমির হুমকির ‍মুখে ব্রাজিল ফুটবলের আয়

রাবিতে তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের সংলাপ অনুষ্ঠিত




তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা, সচেতনতা ও অনলাইন পরিসরে সহনশীলতা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘এ ডায়ালগ অন দ্য ইয়ুথ কানেক্ট: ডিজিটাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের অংশগ্রহণে জামাল নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের প্রকৌশল অনুষদ গ্যালারিতে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্কট ম্যাকডোনাল্ড।

আয়োজকরা জানান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে এবং ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের পরিচালনায় ‘ইয়ুথ কানেক্ট: ডিজিটাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ অংশ নিচ্ছেন।

এসময়, প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে ইউল্যাবের পক্ষে রিয়াজ উদ্দিন খান, রাবির পক্ষে অধ্যাপক ড. নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাজ্জাত হোসেন প্রেজেন্টেশন দেন।

এরপর, অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রকল্পে প্রশিক্ষিত ১০ জন তরুণ শিক্ষার্থী ও চারজন প্রশিক্ষকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্কট ম্যাকডোনাল্ড। এ সময় তারা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘তথ্যের সহজপ্রাপ্যতা সবসময় সত্যের নিশ্চয়তা দেয় না। তাই তরুণদের সমালোচনামূলক চিন্তা, তথ্য যাচাই, ভুল তথ্য শনাক্তকরণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দায়িত্বশীল যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন জরুরি। প্রকল্পের আওতায় রাবির ৬০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে বিভিন্ন কমিউনিটি নিয়ে ‘কমিউনিটি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করেছেন।’

ইউল্যাবের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডি এম সুমন রহমান বলেন, ‘অপতথ্যের বিরুদ্ধে শুধু ফ্যাক্টচেকিং যথেষ্ট নয়। মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল পরিসর সম্পর্কে সচেতন ও ডিজিটাল লিটারেট হতে হবে। প্রকল্পের শিক্ষার্থীরা কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্টের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বিভিন্ন কমিউনিটিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।’

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া রাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত অদ্রিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অপতথ্য, ভুয়া খবর, ডিপফেক, প্রতারণা ও ডিজিটাল গুজব শনাক্ত করার কৌশল শিখেছেন। তথ্যের উৎস ও প্রমাণ যাচাই, রিভার্স ইমেজ সার্চ ও এআই ডিটেক্টরের মতো টুল ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য শেয়ারের আগে ‘থামুন, ভাবুন, যাচাই করুন, তারপর শেয়ার করুন’ এমন অভ্যাস তৈরি হয়েছে।’

রাবির প্রকল্প ফ্যাসিলিটেটর অধ্যাপক নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘৬০ শিক্ষার্থীকে দুটি দলে ভাগ করে বিভিন্ন কমিউনিটিতে কাজ করানো হয়েছে। প্রথম দল ৪টি আবাসিক হলের নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় দল পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ডাইনিং কর্মীসহ ক্যাম্পাসের ৭৫ জন সহায়ক কর্মীর কাছে পৌঁছে অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট শেয়ার না করার বিষয়ে সচেতন করেছে।’

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিইও স্কট ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘তথ্যের সুযোগ পাওয়াই যথেষ্ট নয়; কোন তথ্য বিশ্বাস করা যায়, তা যাচাই করে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের কণ্ঠস্বর ও তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ালেও ভুয়া তথ্য ও অনলাইন ম্যানিপুলেশনের ঝুঁকি তৈরি করছে। অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহনশীলতা গড়ে তোলা শুধু সরকার, সাংবাদিক বা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নয়, সবার দায়িত্ব।’

উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা ও অনুসন্ধানকে গুরুত্ব দিয়ে একাডেমিক পরিবেশ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’

রাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘প্রযুক্তি শিক্ষা ও যোগাযোগের সুযোগ বাড়ালেও অপতথ্য ও প্রযুক্তির দায়িত্বহীন ব্যবহারে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য যাচাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন জরুরি।’

এ সময় ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা, রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউল্যাবের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযানে সাজা, কিন্তু থেকে গেল পণ্য—পীরগাছায় ভেজাল কারখানা নিয়ে ক্ষোভ

রাবিতে তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের সংলাপ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ৮ ঘন্টা আগে

তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা, সচেতনতা ও অনলাইন পরিসরে সহনশীলতা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘এ ডায়ালগ অন দ্য ইয়ুথ কানেক্ট: ডিজিটাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের অংশগ্রহণে জামাল নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের প্রকৌশল অনুষদ গ্যালারিতে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্কট ম্যাকডোনাল্ড।

আয়োজকরা জানান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে এবং ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের পরিচালনায় ‘ইয়ুথ কানেক্ট: ডিজিটাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ অংশ নিচ্ছেন।

এসময়, প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে ইউল্যাবের পক্ষে রিয়াজ উদ্দিন খান, রাবির পক্ষে অধ্যাপক ড. নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাজ্জাত হোসেন প্রেজেন্টেশন দেন।

এরপর, অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রকল্পে প্রশিক্ষিত ১০ জন তরুণ শিক্ষার্থী ও চারজন প্রশিক্ষকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্কট ম্যাকডোনাল্ড। এ সময় তারা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘তথ্যের সহজপ্রাপ্যতা সবসময় সত্যের নিশ্চয়তা দেয় না। তাই তরুণদের সমালোচনামূলক চিন্তা, তথ্য যাচাই, ভুল তথ্য শনাক্তকরণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দায়িত্বশীল যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন জরুরি। প্রকল্পের আওতায় রাবির ৬০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে বিভিন্ন কমিউনিটি নিয়ে ‘কমিউনিটি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করেছেন।’

ইউল্যাবের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডি এম সুমন রহমান বলেন, ‘অপতথ্যের বিরুদ্ধে শুধু ফ্যাক্টচেকিং যথেষ্ট নয়। মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল পরিসর সম্পর্কে সচেতন ও ডিজিটাল লিটারেট হতে হবে। প্রকল্পের শিক্ষার্থীরা কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্টের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বিভিন্ন কমিউনিটিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।’

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া রাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত অদ্রিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অপতথ্য, ভুয়া খবর, ডিপফেক, প্রতারণা ও ডিজিটাল গুজব শনাক্ত করার কৌশল শিখেছেন। তথ্যের উৎস ও প্রমাণ যাচাই, রিভার্স ইমেজ সার্চ ও এআই ডিটেক্টরের মতো টুল ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য শেয়ারের আগে ‘থামুন, ভাবুন, যাচাই করুন, তারপর শেয়ার করুন’ এমন অভ্যাস তৈরি হয়েছে।’

রাবির প্রকল্প ফ্যাসিলিটেটর অধ্যাপক নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘৬০ শিক্ষার্থীকে দুটি দলে ভাগ করে বিভিন্ন কমিউনিটিতে কাজ করানো হয়েছে। প্রথম দল ৪টি আবাসিক হলের নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় দল পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ডাইনিং কর্মীসহ ক্যাম্পাসের ৭৫ জন সহায়ক কর্মীর কাছে পৌঁছে অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট শেয়ার না করার বিষয়ে সচেতন করেছে।’

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিইও স্কট ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘তথ্যের সুযোগ পাওয়াই যথেষ্ট নয়; কোন তথ্য বিশ্বাস করা যায়, তা যাচাই করে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের কণ্ঠস্বর ও তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ালেও ভুয়া তথ্য ও অনলাইন ম্যানিপুলেশনের ঝুঁকি তৈরি করছে। অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহনশীলতা গড়ে তোলা শুধু সরকার, সাংবাদিক বা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নয়, সবার দায়িত্ব।’

উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা ও অনুসন্ধানকে গুরুত্ব দিয়ে একাডেমিক পরিবেশ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’

রাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘প্রযুক্তি শিক্ষা ও যোগাযোগের সুযোগ বাড়ালেও অপতথ্য ও প্রযুক্তির দায়িত্বহীন ব্যবহারে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য যাচাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন জরুরি।’

এ সময় ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা, রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউল্যাবের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।