সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নাকে ছয় টুকরো করে হত্যার দায়ে জিতেশ চন্দ্র গোপ নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া লাশ গুমের চেষ্টার অপরাধে তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের আদেশে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এ সময় পর্যন্ত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারের নির্ধারিত সেলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত জিতেশ চন্দ্র গোপের বাবার নাম যাদব চন্দ্র গোপ এবং মায়ের নাম অনিতা রানি গোপ। তাঁর স্থায়ী বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের একটি মার্কেটে অবস্থান করতেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জিতেশ চন্দ্র গোপের বিরুদ্ধে হত্যা ও অপরাধের আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না হত্যা মামলায় আদালতের এ রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ রায় অপরাধীদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই এ রায়ের মধ্য দিয়ে সেই বার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

























