ঢাকা , রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোকামতলায় উপজেলার চানপুর মাজার মসজিদের বর্ধিতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সখিপুরে জ্বালানী সঙ্কটে জনজীবন অচল চড়ামূল্যেও মিলছে না গ্যাস শাজাহানপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বগুড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ পর্দার আলোছায়ায় চিরসবুজ রহস্যময়ী টাবু এবং ‘দৃশ্যম থ্রি’-এর নতুন ধাঁধা ২৬ জানুয়ারি ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ‘মেসির বিদায়ী ম্যাচে ৫টা স্টেডিয়াম থাকলেও সবকটা ভরে যেত’ ‘হানিট্র্যাপে’ পড়ে তথ্য পাচার, ভারতীয় নৌসেনা গ্রেপ্তার বেসরকারিভাবে ডেঙ্গুর টিকা আনার রাস্তা খুলে দিন, সরকারকে শফিকুর কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, আখতারুজ্জামান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির

২৬ জানুয়ারি ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই সমাবর্তনে তিনি সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতির বিষয়েও ইতোমধ্যে সম্মতি মিলেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাতে এসব বিষয় উঠে আসে।

সাক্ষাৎটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয় গুরুত্ব পায়। বৈঠকের সবচেয়ে দৃশ্যমান ফলাফল হিসেবে আগামী সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের সম্মতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির তাগিদ সামনে এসেছে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। পরে তিনি ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সম্মতি দেন।

রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেস্ট অব অনার হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতোমধ্যে সম্মতি দিয়েছেন। ফলে এবারের সমাবর্তনে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও উন্নত করতে সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

বিশেষ করে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক বা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে নেওয়া উদ্যোগের কথা রাষ্ট্রপতিকে জানানো হয়। গবেষণার ফলাফল যাতে বাস্তব ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে ওঠে, সে লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণের উদ্যোগগুলোও বৈঠকে তুলে ধরেন উপাচার্য।

সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ নয়; দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু।

রাষ্ট্রপতি শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ও জাতীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বঙ্গভবনের বৈঠকে এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি রাষ্ট্রপতির সামনে তুলে ধরা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সাক্ষাতে নতুন কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, অর্থ বরাদ্দ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প অনুমোদনের ঘোষণা না এলেও সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের সম্মতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার বিষয়ে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনাই বৈঠকের প্রধান ফলাফল হিসেবে সামনে এসেছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণা, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

মোকামতলায় উপজেলার চানপুর মাজার মসজিদের বর্ধিতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

২৬ জানুয়ারি ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন

আপডেট সময় : ৩ ঘন্টা আগে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই সমাবর্তনে তিনি সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতির বিষয়েও ইতোমধ্যে সম্মতি মিলেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাতে এসব বিষয় উঠে আসে।

সাক্ষাৎটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয় গুরুত্ব পায়। বৈঠকের সবচেয়ে দৃশ্যমান ফলাফল হিসেবে আগামী সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের সম্মতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির তাগিদ সামনে এসেছে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। পরে তিনি ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সম্মতি দেন।

রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেস্ট অব অনার হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতোমধ্যে সম্মতি দিয়েছেন। ফলে এবারের সমাবর্তনে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও উন্নত করতে সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

বিশেষ করে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক বা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে নেওয়া উদ্যোগের কথা রাষ্ট্রপতিকে জানানো হয়। গবেষণার ফলাফল যাতে বাস্তব ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে ওঠে, সে লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণের উদ্যোগগুলোও বৈঠকে তুলে ধরেন উপাচার্য।

সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ নয়; দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু।

রাষ্ট্রপতি শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ও জাতীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বঙ্গভবনের বৈঠকে এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি রাষ্ট্রপতির সামনে তুলে ধরা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সাক্ষাতে নতুন কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, অর্থ বরাদ্দ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প অনুমোদনের ঘোষণা না এলেও সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের সম্মতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার বিষয়ে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনাই বৈঠকের প্রধান ফলাফল হিসেবে সামনে এসেছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণা, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।