ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ায় সিটি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগ, হাতেনাতে আটক ১০৪ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়াল ময়নামতি, শামিমের ব্যাটে রানের বন্যা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে সম্পর্কে ইনভেস্ট করতে হয়: বর্ষা আইনের শাসন নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: রিজভী ওয়াদা অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির এসবির এসআই হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী রাঙ্গাবালীতে প্রায় দুই লাখ মানুষের জন্য নেই কোনো সরকারি স্বাস্থ্যসেবা বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খাঁন




২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের রাশেদ খাঁন জানান, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তিনি ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।

এদিকে রাশেদ খাঁনের অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-রংপুর লং মার্চ: গঙ্গাচড়ায় রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্য

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের রাশেদ খাঁন জানান, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তিনি ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।

এদিকে রাশেদ খাঁনের অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।