ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে আলী আজগর তালুকদার হেনাকে দেখতে ছুটে গেলেন জয়নাল আবেদীন চাঁন বিচ্ছেদের আগে প্রীতম-শেহতাজের মধ্যে কী ঘটেছিল আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট মেসি! পশ্চিমবঙ্গ সরকারে মন্ত্রীর সমমর্যাদার পদ পেলেন মিঠুন চক্রবর্তী আ.লীগের সিগারেট কোম্পানি পরিচালনা করছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: রাশেদ খাঁন মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে আনসার-ভিডিপির আগাম প্রস্তুতি মধুখালিতে জমকালো নৌকাবাইচ ও মাদক বিরোধী কনসার্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় শহিদ ব্রেড কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা কে এই কপাল পোড়া অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি—ছোট বেলাইলে পড়ে আছে মরদেহ, পরিচয় মেলেনি

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে




ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এরপর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গান গেয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

তবে সংগীতের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের নানা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছেন এই শিল্পী। এবার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের জীবন, বিপুল অর্থ উপার্জন ও সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন নোবেল।

নোবেল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেছেন তিনি। অল্প বয়সে বিপুল অর্থ ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর তা সামলে ওঠার মতো মানসিক পরিপক্বতা তখন তার ছিল না।

নিজের অতীতের কথা স্মরণ করে নোবেল বলেন, ‘সারেগামাপায় যখন জনপ্রিয়তা পাই, তখন দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০-৫০, এমনকি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র ২৪-২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তুলেছিল। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’

নোবেলের দাবি, একসময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত জমা ছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন সময়ও গেছে, যখন ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক থাকে?’

তবে নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু ‘সারেগামাপা’ দিয়ে নয়। ছোটবেলায় বাবার কিনে দেওয়া ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন তিনি। সংগীতের প্রতি আগ্রহ থেকেই পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে গানকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গড়ে তোলেন ব্যান্ড এবং শুরু করেন নিয়মিত সংগীতচর্চা।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ওস্তাদের কাছে সংগীত শেখেননি নোবেল। নিজের চেষ্টায় গান শেখা ও চর্চা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ই তাকে বড় পরিসরে পরিচিতি এনে দেয়। প্রতিযোগিতাটিতে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।

তবে সেই সময়ের জীবন থেকে এখন অনেকটাই সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন নোবেল। তার ভাষ্য, গত ১০ মাসে জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ছেলের জন্মের পর থেকেই তার জীবনযাপনে এই পরিবর্তনের শুরু।

বর্তমানে গান ও ছেলেকেই ঘিরেই তার ব্যস্ততা। অতীতের নানা অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে এখন সংগীতচর্চা ও পরিবারকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চান এই শিল্পী।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে আলী আজগর তালুকদার হেনাকে দেখতে ছুটে গেলেন জয়নাল আবেদীন চাঁন

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল

আপডেট সময় : ১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এরপর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গান গেয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

তবে সংগীতের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের নানা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছেন এই শিল্পী। এবার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের জীবন, বিপুল অর্থ উপার্জন ও সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন নোবেল।

নোবেল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেছেন তিনি। অল্প বয়সে বিপুল অর্থ ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর তা সামলে ওঠার মতো মানসিক পরিপক্বতা তখন তার ছিল না।

নিজের অতীতের কথা স্মরণ করে নোবেল বলেন, ‘সারেগামাপায় যখন জনপ্রিয়তা পাই, তখন দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০-৫০, এমনকি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র ২৪-২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তুলেছিল। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’

নোবেলের দাবি, একসময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত জমা ছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন সময়ও গেছে, যখন ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক থাকে?’

তবে নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু ‘সারেগামাপা’ দিয়ে নয়। ছোটবেলায় বাবার কিনে দেওয়া ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন তিনি। সংগীতের প্রতি আগ্রহ থেকেই পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে গানকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গড়ে তোলেন ব্যান্ড এবং শুরু করেন নিয়মিত সংগীতচর্চা।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ওস্তাদের কাছে সংগীত শেখেননি নোবেল। নিজের চেষ্টায় গান শেখা ও চর্চা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ই তাকে বড় পরিসরে পরিচিতি এনে দেয়। প্রতিযোগিতাটিতে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।

তবে সেই সময়ের জীবন থেকে এখন অনেকটাই সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন নোবেল। তার ভাষ্য, গত ১০ মাসে জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ছেলের জন্মের পর থেকেই তার জীবনযাপনে এই পরিবর্তনের শুরু।

বর্তমানে গান ও ছেলেকেই ঘিরেই তার ব্যস্ততা। অতীতের নানা অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে এখন সংগীতচর্চা ও পরিবারকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চান এই শিল্পী।