ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার রাতে হরমুজগান প্রদেশের লারাক দ্বীপের একটি স্থাপনায় মার্কিন হামলায় প্রথমে দুজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে একজনের মৃত্যু হয়। এতে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র মাইন স্থাপন ঠেকাতেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়।
পরে হামলার জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার ভোরে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতেও বিস্ফোরক ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
আইআরজিসি বলেছে, লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতেই জর্ডান ও আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর আঘা হানবে।
তিনি বলেন, আমরা তাদের কঠোরভাবে আঘাত করব। এর জবাব দেওয়া হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানের ছোড়া বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে। তবে একটি ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থাপনায় আঘাত হানবে না’ বলে শনাক্ত করা হয়েছিল এবং সেটিকে আকাশসীমা দিয়ে যেতে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্স

চলনবিলের সময় ডেস্ক 


















