পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় ১৩ সেপ্টেম্বর কিশোর অটোভ্যান চালক সাকিব ৩০ কে হত্যা করে বড়াল নদীতে ফেলে রাখলে স্হানীয়দের সাথে নিয়ে ফরিদ পুর থানাপুলিশ মরদেহটি মাজাট গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে তালতলা এলাকায় বড়াল নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা করে ।
নিহত শিশুটি উপজেলার পুংগলি ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা হারিস উদ্দিনের ছেলে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
নিহত সাকিবের বাবার করা মামলা নম্বর ৮ এর অভিযোগের সুত্র ধরে
ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্তে শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সিরাজগঞ্জের কালিয়াকৈর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে বর্তমান গ্রাম দিঘুলিয়ার ইমন কে ১৪ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে। ইমনের তথ্যের ভিত্তিতে ধানুয়াঘাটা গ্রাম থেকে নিহত সাকিবের ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।
এবিষয়ে ফরিদ পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম মাসুদ এদিন কে বলেন পুলিশ হেফাজতে ইমন কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
এবিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না,তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামি ইমনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি 
























